ঢাকা: রাজধানীর খিলগাঁও থানা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান জনিকে ২০১৫ সালের ১৬ জানুয়ারি গ্রেফতার করে পুলিশ। গ্রেফতারের পর তাকে পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়। পুলিশ হেফাযতে নির্যাতন ও হত্যার অভিযোগে ওই ঘটনায় আট বছর পর ডিএমপির সাবেক কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়াসহ ১৫ পুলিশের বিরুদ্ধে হেফাজতে নির্যাতন ও মৃত্যু (নিবারণ) আইন মামলার আবেদন করা হয়েছে।
আজ সোমবার (৬ ফেব্রুয়ারী) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো: আসাদুজ্জামানের আদালতে জনির বাবা মো: ইয়াকুব আলী এ আবেদন করেন। বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে আদেশ পরে দিবেন বলে জানান আদালত।
বাদীপক্ষে শুনানি করেন ঢাকা বারের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট মাসুদ আহমেদ তালুকদার। অপরদিকে ঢাকা মহানগর আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর তাপস কুমার পাল মামলাটি গ্রহণ না করতে শুনানিতে বিরোধিতা করেন। তিনি বলেন, ঘটনার আট বছর পর মামলা করতে আসা মানে রাজনৈতিক ফায়দা আছে। এতদিন তারা মামলা করেনি।
মামলার আবেদনে অপর আসামিরা হলেন চট্টগ্রামের বর্তমান কমিশনার কৃষ্ণপদ রায়, ডিবি রমনা জোনের এসআই দীপক কুমার দাস, ডিবির রমনা জোনের সিনিয়র সহকারী পুলিশ কমিশনার হাসান আরাফাত, মো: জাহিদুল হক তালুকদার, ডিবির পুলিশ পরিদর্শক ফজলুর রহমান, ওহিদুজ্জামান, এস এম শাহরিয়ার হাসান, ডিবির এসআই শিহাব উদ্দিন, বাহাউদ্দিন ফারুকী, মো: জাহাঙ্গীর হোসেন, ডিবির কনস্টেবল মো: সোলাইমান, আবু সায়েদ, মো: লুৎফর রহমান ও খিলগাঁও থানার এসআই মো: আলাউদ্দিন। ঘটনার সময় সবাই ডিএমপিতে কর্মরত ছিলেন।
উল্লেখ্য, ২০১৫ সালের ২০ জানুয়ারি রাজধানীর খিলগাঁওয়ে পুলিশের কথিত 'বন্দুকযুদ্ধে' নিহত হন ছাত্রদল নেতা নুরুজ্জামান জনি।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রাপ্ত নিউজ পোর্টাল
