মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রাশিয়ার ওপর চাপ সৃষ্টি করতে শুল্ক আরোপকে বৈদেশিক নীতির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার শুরু করেছেন। পরিকল্পনা অনুযায়ী, রাশিয়ার কাছ থেকে তেল আমদানি করা দেশগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এতে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়ে যুক্তরাষ্ট্রও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে এবং চীন-ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য আলোচনায় জটিলতা তৈরি হতে পারে।
রাশিয়া বিশেষজ্ঞ ইউজিন রুমারের মতে, এই চাপ সত্ত্বেও পুতিন যুদ্ধবিরতিতে রাজি হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় নেই। চীন ও ভারত রাশিয়ার তেল ক্রয় অব্যাহত রাখবে বলেই ইঙ্গিত দিয়েছে। সাবেক ট্রেজারি কর্মকর্তা কিম্বার্লি ডোনোভান মনে করেন, শুল্ক আরোপে যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ও বাণিজ্য ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
কানাডার শ্রমবাজারে ধাক্কা
জুলাই মাসে কানাডায় ৪০ হাজার ৮০০ কর্মসংস্থান কমেছে, যা আট মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন অবস্থা। উৎপাদন খাত, বিশেষ করে ইস্পাত, অ্যালুমিনিয়াম ও গাড়ি শিল্পে শুল্কের প্রভাবে নিয়োগ কমেছে। বেকারত্বের হার স্থিতিশীল থাকলেও কর্মী ছাঁটাই বেড়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রে শুল্ক রাজস্বের রেকর্ড
ট্রাম্প প্রশাসন জানিয়েছে, শুল্ক আরোপের পর জুলাই মাসে যুক্তরাষ্ট্র সরকার প্রায় ৩০ বিলিয়ন ডলার রাজস্ব সংগ্রহ করেছে, যা গত বছরের তুলনায় ২৪২% বেশি। রাশিয়ার ওপর শুল্ক আরোপে তাদের অর্থনীতি চাপের মুখে পড়লেও মস্কো বলছে, ক্ষতি সামাল দিতে তারা প্রস্তুত।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রাপ্ত নিউজ পোর্টাল
