কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী ফায়ার সার্ভিস স্টেশনে কর্মরত গাড়িচালক জাহিদ আহমেদের (৩৮) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলা ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের পাশে তার ভাড়া বাসা থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নাগেশ্বরী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল করিম রেজা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
নিহত জাহিদ রংপুরের কাউনিয়া থানার মোহাম্মদ আলী শহীদের ছেলে। প্রায় সাড়ে সাত বছর ধরে তিনি ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সে গাড়ি চালক পদে কর্মরত। দুই বছর ধরে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে নাগেশ্বরীতে স্থানীয় শামসুল হক ব্যাপারীর বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। বৃহস্পতিবার বেলা ১২টার দিকে অফিস থেকে বাসায় ফিরে তিনি গলায় ফাঁস দিয়ে আত্বহত্যা করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বাড়ির মালিক শামসুল হক জানান, সকালে জাহিদের স্ত্রী ৬ বছরের মেয়েকে নিয়ে স্কুলে যান। সেসময় জাহিদও ডিউটিতে যান। পরে দুপুরে তার স্ত্রী সন্তানসহ স্কুল থেকে ফিরে দেখেন কক্ষের দরজার সামনে বারান্দার চালের কাঠের সাথে রশিতে ফাঁস লাগিয়ে ঝুলে আছেন জাহিদ।
জাহিদের স্ত্রীর বরাতে পুলিশ জানায়, ‘অনলাইন জুয়ায় আসক্তির’ কারণে গাড়িচালক জাহিদ ঋণগ্রস্থ হয়েছিলেন। প্রায় ১০ -১২ লাখ টাকা ঋণ হয়েছিল। তিনি হতাশায় ভুগছিলেন। সম্ভবত হতাশা থেকে আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন।
ওসি রেজাউল করিম রেজা বলেন, প্রাথমিকভাবে এটা আত্মহত্যা বলে মনে হচ্ছে। অপমৃত্যু মামলা নথিভুক্ত করা হয়েছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্ত করার জন্য মর্গে পাঠানো হেয়েছে।
কুড়িগ্রাম ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপ-সহকারী পরিচালক (অ.দা) এনামুল হক বলেন, গাড়ি চালক জাহিদ ঋণগ্রস্থ ছিলেন বলে জানতে পেরেছি। অনলাইন জুয়ায় আসক্তির বিষয়টি আমার জানা নেই।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রাপ্ত নিউজ পোর্টাল
