রাজবাড়ী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী ইরাদত আলী, তার স্ত্রী, পুত্র, কন্যা ও জামাতা—মোট পাঁচজনের অবৈধভাবে অর্জিত ৬৫ কোটি ৬৫ লাখ ৫৫ হাজার ৮৬৩ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ দিয়েছেন রাজবাড়ীর বিশেষ জজ আদালত।
দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ফরিদপুর জেলা কার্যালয়ের পক্ষে পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট বিজন কুমার বোসের আবেদনের প্রেক্ষিতে সোমবার রাজবাড়ীর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মোঃ আনিসুর রহমান এই ক্রোকাদেশ প্রদান করেন।
এর আগে দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়, ফরিদপুরের উপ-পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে কাজী ইরাদত আলী ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করেন। প্রাথমিক অনুসন্ধানে দেখা যায়, কাজী ইরাদত আলী, স্ত্রী রাবেয়া পারভীন, পুত্র কাজী রাকিবুল ইসলাম শান্তনু, কন্যা কাজী সিরাজুম মনিরা ও জামাতা নুরুল ইসলাম অবৈধভাবে ৬৫ কোটি ৬৫ লাখ টাকার বেশি সম্পদ অর্জন করেছেন।
সোমবার দুপুরে রাজবাড়ী জজ আদালত প্রাঙ্গণে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে দুদক পিপি সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।
অবৈধ সম্পদের তালিকায় রাজবাড়ীর গোল্ডেশিয়া জুট মিল, একটি পেট্রোল পাম্প, রাজধানীর বসুন্ধরা এলাকায় বহুতল ভবনসহ আরও বিভিন্ন স্থাবর সম্পত্তি রয়েছে বলে জানা গেছে।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রাপ্ত নিউজ পোর্টাল
