যখন রোহিঙ্গাদের ওপর নিপীড়ন শুরু হয় তাদের গণহারে হত্যা ও ধর্ষণ করা হয়। তখন আমরা রোহিঙ্গাদের পাশে দাঁড়াই। সীমান্ত খুলে দিই। সীমান্ত খুলে দিয়েই আমরা আমাদের দায়িত্ব শেষ করিনি। আমরা তাদের আশ্রয় ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করি। এর পাশাপাশি আমরা মিয়ানমারের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছিলাম। আমরা তাদের বলেছি, রোহিঙ্গারা আপনাদের দেশের নাগরিক। তাই তাদের মিয়ানমারেই ফেরত যেতে হবে। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে তাতে তারা ইতিবাচক সাড়া দেয়নি।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ কথা বলেছেন।
কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, বর্তমানে রোহিঙ্গারা নিজেরা নিজেদের সঙ্গে সংঘাতে জড়িয়ে পড়েছে। তারা মাদক, অস্ত্র ও মানবপাচারে মতো অপরাধে জড়িয়ে পড়েছে। এমনকি তারা খুনাখুনীতেও জড়িয়ে পড়ছে।
আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় রোহিঙ্গা ইস্যুতে মিয়ানমারের ওপর চাপ তৈরি করছে। কিন্তু তা প্রত্যাবাসনের জন্য যথেষ্ট নয়।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রাপ্ত নিউজ পোর্টাল
