ভৈরব রেলওয়ে স্টেশন এলাকার নিকটে কলেজ শিক্ষার্থী আবু সুফিয়ান ওরফে শাহ আলম (২১) হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মূল অভিযুক্তসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে রেলওয়ে থানা পুলিশ। গ্রেপ্তাররা হলেন ছিনতাইকারী চক্রের কথিত প্রধান মিরাজ মিয়া ও তার সহযোগী ইব্রাহিম। তাদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা ও ওয়ারেন্ট রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) মধ্যরাতে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। এ সময় নিহত সুফিয়ানের ছিনতাই হওয়া অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার দুই আসামির ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে আবেদন করা হয়েছে।
এর আগে একই দিন নিহতের বাবা আবু তাহের বাদী হয়ে ভৈরব রেলওয়ে থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।
নিহত আবু সুফিয়ান কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার কর্শাকড়িয়াল ইউনিয়নের ভাদেকুরিয়াল গ্রামের অটোচালক আবু তাহেরের একমাত্র ছেলে। তিনি ঢাকার পল্লবী সরকারি কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। এক ভাই ও এক বোনের মধ্যে সুফিয়ান ছিলেন বড়।
ভৈরব রেলওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ সাইদ আহমেদ সোমবার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, শুক্রবার রাতে স্টেশনের আউটার এলাকা থেকে অজ্ঞাত এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে পিবিআইয়ের সহায়তায় মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করা হয়। পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর নিহতের বাবা মামলা দায়ের করলে ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই প্রধান অভিযুক্ত মিরাজ ও তার সহযোগী ইব্রাহিমকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়। জিজ্ঞাসাবাদে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রাপ্ত নিউজ পোর্টাল
