বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, “কিছু লোক বিশেষ বিশেষ সিজনে গরীব মানুষগুলোর সঙ্গে হাত মেলায়। কিন্তু এই গরীব মানুষগুলো যখন একটু তাদের কাছ থেকে আড়াল হয়ে যায়, তখন রুমাল বা টিস্যু পেপার দিয়ে হাত মুছে। আর আমি গরীব মানুষের এই হাতের ঘামগুলো এনে আমার মুখ মুছি।
রোববার কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলার শিমুলবাক ও নিকলী উপজেলার ছাতিরচর এলাকায় নিহত দুই কর্মীর পরিবারের খোঁজ নিতে এবং তাদের কবর জিয়ারত করতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
উল্লেখ্য, গত ৩ ফেব্রুয়ারি কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী সরকারি কলেজ মাঠে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনী জনসভা শেষে ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় আব্দুস ছালাম নামে এক কর্মী নিহত হন। এছাড়া ৮ ফেব্রুয়ারি ইটনা উপজেলার মিনি স্টেডিয়ামে আয়োজিত আরেকটি নির্বাচনী জনসভায় যাওয়ার পথে স্ট্রোক করে শাহ আলম নামে জামায়াতের এক সমর্থক মারা যান।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “১৯ জুলাই তো আমারই চলে যাওয়ার কথা ছিল। এ রকম বহু মানুষ বক্তব্য দিতে দিতে মারা যায়। এরপর তাকে গোসল দিয়ে সাদা কাপড়ে মোড়ানো হয়। কিন্তু আল্লাহ এখনো আমাকে বাঁচিয়ে রেখেছেন।”
তিনি নিহত দুই পরিবারের সকল দায়িত্ব গ্রহণের ঘোষণা দেন এবং এলাকাবাসীকে শোকসন্তপ্ত পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামী কিশোরগঞ্জ জেলা আমীর অধ্যাপক রমজান আলীসহ জেলা ও স্থানীয় পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রাপ্ত নিউজ পোর্টাল
