টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলায় গভীর রাতে ৮টি ঘোড়া জবাই করে মাংস প্যাকেটজাত করার সময় কসাইসহ চারজনকে আটক করেছেন স্থানীয় গ্রামবাসী। পরে তাদের পুলিশে সোপর্দ করা হয়।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে উপজেলার ধোপাকান্দি ইউনিয়নের চোরের ভিটা গ্রামের হাফিজুর রহমানের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। হাফিজুর রহমান ৯ নম্বর ওয়ার্ড কৃষকদলের সাধারণ সম্পাদক বলে জানা গেছে।
স্থানীয়দের দাবি, গভীর রাতের নিস্তব্ধতায় হাফিজুর রহমানের বাড়িতে সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড দেখতে পান তারা। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, ৮টি ঘোড়া জবাই করা হয়েছে এবং আরও ৪টি ঘোড়া বেঁধে রাখা রয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রায় ১০-১২ জন ব্যক্তি ঘোড়ার মাংস আলাদা করে হাড়-মাংস পৃথক করছিলেন এবং প্যাকেটজাত করার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন।
এ সময় স্থানীয়রা চারজনকে হাতেনাতে আটক করেন। তবে বাড়ির মালিক হাফিজুর রহমান পালিয়ে যান বলে অভিযোগ রয়েছে। খবর পেয়ে গোপালপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আটক ব্যক্তিদের গ্রেফতার করে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, জবাই করা ঘোড়ার মাংস বিভিন্ন হোটেল ও রেস্তোরাঁয় গরুর মাংস হিসেবে সরবরাহ করা হতো। দীর্ঘদিন ধরে এ ধরনের প্রতারণা চলছিল বলে দাবি করেন তারা। জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
আটক ব্যক্তিরা হলেন— জামগড়া এলাকার হাসান হাওলাদারের ছেলে হৃদয় (২৩), তৈয়বপুর এলাকার মৃত ওয়াজেদ আলীর ছেলে সুমন (২০), ধনিয়া এলাকার মৃত আবু তাহেরের ছেলে ফরহাদ (৩০) এবং মহিষখোঁচার মোফাজ্জল হোসেনের ছেলে আমিনুল ইসলাম (২৪)।
গোপালপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) গোলাম মুক্তার আশরাফ উদ্দিন বলেন, “আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রাপ্ত নিউজ পোর্টাল
