সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, নগরবাসীর সম্মিলিত সহযোগিতা ছাড়া একটি পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য নগর গড়ে তোলা সম্ভব নয়। সিটি কর্পোরেশনের কর্মীরা নগরকে পরিষ্কার রাখতে নিরলসভাবে কাজ করছেন, কিন্তু অনেকেই এখনও যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা ফেলছেন। ফলে নগরের বিভিন্ন স্থান মশার আবাসস্থলে পরিণত হচ্ছে।
মঙ্গলবার সিলেট সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে আয়োজিত মশক নিধন ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, মশা নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত ওষুধ ছিটানো এবং লার্ভা ধ্বংসের কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। কিন্তু রাস্তাঘাট, ড্রেন ও বাসাবাড়ির আশপাশে যত্রতত্র ময়লা ফেলার কারণে মশার বংশবিস্তার অব্যাহত রয়েছে। এতে করে সর্বাত্মক চেষ্টা সত্ত্বেও মশা নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়ছে।
এর আগে সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ থেকে একটি সচেতনতামূলক র্যালি বের করা হয়। র্যালিতে সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকারসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশ নেন।
আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, প্রত্যেক নাগরিককে নিজের ঘরবাড়ি ও আঙিনা পরিষ্কার রাখতে হবে। একই সঙ্গে ব্যবসায়ীদেরও সচেতন হতে হবে, যাতে তারা রাস্তাঘাট বা ড্রেনে ময়লা না ফেলেন।
পরে তিনি নগরের দাড়িয়াপাড়া এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। এ সময় কয়েকটি বাসার আশপাশে ময়লা-আবর্জনার স্তুপ দেখতে পেয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, একটি পরিষ্কার ও সুন্দর নগর গড়ে তুলতে মশক নিধন কার্যক্রমে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। তবে সবাই সচেতন না হলে এবং নিজেদের পরিবেশ পরিষ্কার না রাখলে সিটি কর্পোরেশনের একার পক্ষে নগরকে পরিচ্ছন্ন রাখা সম্ভব নয়।
মশক নিধন কার্যক্রমের উদ্বোধনকালে সিটি কর্পোরেশনের সচিব বিশ্বজিত দেব, ভারপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. আলী আকবর, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মোহাম্মদ একলিম আবদীন, নির্বাহী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) জয়দেব বিশ্বাস, জনসংযোগ কর্মকর্তা নেহার রঞ্জন পুরকায়স্থ এবং মো. মাহবুবুর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রাপ্ত নিউজ পোর্টাল
