চুয়াডাঙ্গায় নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে বাঙালি ইতিহাস ঐতিহ্যের বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপিত হয়েছে। চুয়াডাঙ্গা চাঁদমারি মাঠে মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকাল ৮ টায় জাতীয় সংগীত ও এসো হে বৈশাখ গানের মধ্যে দিয়ে আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। পরে সকাল সোয়া ৮ টায় চাঁদমারি মাঠ থেকে সরকারি কলেজের উদ্দেশ্যে এক বিশাল বৈশাখী শোভাযাত্রা বের হয়। শোভাযাত্রাটির চুয়াডাঙ্গা কোর্টমোড়, শহীদ হাসান চত্বর, পৌরসভা মোড়, কবরী রোড হয়ে সরকারি কলেজে গিয়ে শেষ হয়। চুয়াডাঙ্গার মোট ৫১টি সংগঠন এ শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করে।
পরে চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজে এক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগীয় প্রধান ড. মুন্সী আবু সাইফের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহার। এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সংসদ সদস্য মাসুদ পারভেজ রাসেল।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য মাসুদ পারভেজ রাসেল বলেন, বাঙালির ইতিহাস ঐতিহ্যের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ এই পহেলা বৈশাখ। বর্তমানে কালের পরিক্রমায় আমাদের যে সকল সংস্কৃতি হারিয়ে যেতে বসেছে তা যেন আমরা বুকে ধারণ করে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে অংশগ্রহণ করতে পারি। যে সকল খেলা বর্তমানে হারিয়ে গেছে যেমন লাঠি খেলা, হাডুডু এ সকল খেলা বাঁচিয়ে রেখে বাঙালির ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি বাঁচিয়ে রাখতে হবে।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শরীফুজ্জামান শরীফ, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুকুল কুমার মৈত্র, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শারমিন আক্তার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) নয়ন কুমার রাজবংশী, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বি.এম.তারিক উজ জামান, নেজারত ডেপুটি কালেক্টর আলাউদ্দিন আল আজাদ, সহকারি কমিশনার আবদুল্লাহ আল নাঈম, সহকারী কমিশনার আশফাকুর রহমান, সহকারী কমিশনার মির্জা শহীদুল, এবি পার্টির জেলা সভাপতি আলমগীর হোসেন, জেলা জাসাসের সভাপতি শহিদুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক সেলিমুল হাবিব সেলিমসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের ব্যক্তিবর্গসহ নানান শ্রেণী পেশার মানুষ।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রাপ্ত নিউজ পোর্টাল
