ঢাকা, ১০ আগস্ট ২০২৬, সোমবার, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
banglahour গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রাপ্ত নিউজ পোর্টাল

English

ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প মেলার নামে চাঁদাবাজির অভিযোগ, নিম্নমানের পন্যসামগ্রীতে ঠকছেন হাজারো ক্রেতা

সারাদেশ | মো আশরাফুল ইসলাম। চাঁপাইনবাবগঞ্জ।

(৫৮ মিনিট আগে) ১০ আগস্ট ২০২৬, সোমবার, ১০:২৬ অপরাহ্ন

banglahour

 

চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাসব্যাপী জাতীয় ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প মেলার নামে ব্যাপক চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে। এছাড়াও মেলায় নিম্নমানের পন্যদ্রব্য ও খাদ্যসামগ্রী কিনে প্রতারিত হচ্ছেন হাজারো ক্রেতারা। এমনকি জেলাজুড়ে তীব্র লোডশেডিংয়ের মধ্যেও সন্ধ্যার পর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত আলোকসজ্জা করে বিদ্যুৎ অপচয় করছে তারা। এমনকি বিকট শদে দিনব্যাপী সাউন্ডবক্স বাজিয়ে পরিবেশ দূষণ করছে মেলা কর্তৃপক্ষ।

জেলা প্রশাসনের ছত্রছায়ায় এমন অনিয়ম হলেও মাসব্যাপী এই মেলা আয়োজক কর্তৃপক্ষের বিপক্ষে নেয়া হচ্ছে না কোন ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনকে মোটা অঙ্কের অর্থ দিয়ে ম্যানেজ করেই এমন অনিময় ও দূর্নীতির মাধ্যমে মেলা চালিয়ে যাচ্ছে বলে অনুসন্ধানে জানা যায়। জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বরে মেলার নামে এমন চাঁদাবাজির ঘটনায় হতবাক অনেকেই।

জানা যায়, গত ১৫ জুলাই ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প মেলা শুরু হয় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে। জেলায় ৪৩টির বেশি স্টল ও আরও কয়েকটি স্টল থাকলেও এত বড় মেলার আয়োজনে নেয় স্থানীয় কোন উদ্যোক্তার অংশগ্রহণ। এনিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন জেলার ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তারা। মাসব্যাপী মেলার প্রথম সপ্তাহে কোন টিকিটের ব্যবস্থা না থাকলেও পরে তা চালু করা হয়। প্রত্যেক দর্শনার্থীর থেকে ১০ টাকা করে টিকিট আদায় করে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে একটি কুচক্রী মহল।

অভিযোগ উঠেছে, মেলার চারিদিকে কালেক্টরেট চত্বরে ও রাস্তার গড়ে উঠা ফুচকা, চটপটি, বাদামসহ বিভিন্ন খাবারের দোকান থেকে দৈনিক চাঁদা উত্তোলন করে মেলা কর্তৃপক্ষ। স্থানীয় প্রশাসন ও রাজনৈতিক নেতাদের ছত্রছায়ায় এই চাঁদাবাজি চলছে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে। এমনকি জেলা প্রশাসনের জায়গা দখল করে গড়ে তোলা গ্যারেজ থেকেও দর্শনার্থীদের থেকে চাঁদা তুলছে মেলার আয়োজকরা। এছাড়াও ডিজে বক্স বাজিয়ে দিনভর শব্দ দূষণ করছে দোলনা খেলায়।

মেলায় সন্ধ্যায় হলেই ব্যাপক আলোকসজ্জায় আলোকিত হয়ে উঠে। অথচ জেলাজুড়ে দিনে ৭-৮ ঘন্টার লোডশেডিং হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতেও বিদ্যুতের অপচয় করা৷ নিয়ে তীব্র সমালোচনা সচেতন মহলের। অভিযোগ রয়েছে, মেলার প্রত্যেকটি স্টল থেকো তোলা হয়েছে ৪০-৫০ হাজার টাকা করে। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে ও আদালতের সন্নিকটেই এমন মেলার আয়োজন নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

মেলায় আয়োজক কর্তৃপক্ষের মুখপাত্রের দায়িত্বে থাকা মেহেদী হাসান মুঠোফোনে বলেন, মেলার আয়োজনের বিষয়ে জেলা প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে শুরু করা হয়েছে। এখানে কোন অনিয়ম করা হয়নি। এমনকি চাঁদাবাজি ও নিম্নমানের পন্যসামগ্রী বিক্রির অভিযোগ অস্বীকার করেন তিনি।

জেলা প্রশাসক আবু ছালেহ মো. মুসা জঙ্গী বলেন, মেলার অনুমতি দেয়ার আগেই তাদেরকে নিয়ম-নীতির বিষয়ে শর্ত দেয়া হয়েছে। এসব মেনেই মেলা পরিচালনা করতে হবে। চাঁদাবাজি ও নিম্নমানের পন্যসামগ্রী বিক্রির বিষয়ে জানতে চাইলে উত্তর না দিয়েই ফোন কেটে দেন জেলা প্রশাসক।

সারাদেশ থেকে আরও পড়ুন

সর্বশেষ

banglahour
banglahour
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রাপ্ত নিউজ পোর্টাল
উপদেষ্টা সম্পাদকঃ হোসনে আরা বেগম
নির্বাহী সম্পাদকঃ মাইনুল ইসলাম
ফোন: +৮৮০১৬৭৪০৬২০২৩
ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম
ফোন: +৮৮ ০১৭ ১২৭৯ ৮৪৪৯