ঢাকা, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, মঙ্গলবার, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
banglahour গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রাপ্ত নিউজ পোর্টাল

English

৬ বছর পর ওজন করা হচ্ছে পাগলা মসজিদের দানবাক্সে পাওয়া সোনা-রুপা গনণা করা হচ্ছ ডলারসহ বৈদেশিক মুদ্রা

সারাদেশ | সোহেল চৌধুরী। কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি।

(১৩ ঘন্টা আগে) ১২ অক্টোবর ২০২৬, সোমবার, ২:৫৭ অপরাহ্ন

banglahour

দীর্ঘ ৬ বছর পর আবারো কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্সে পাওয়া সোনা, রুপা ও বৈদেশিক মুদ্রার ওজন নির্ধারণ ও গণনার কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

সোমবার (১২ অক্টোবর) সকাল থেকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ট্রেজারিতে জমা রাখা ৯টি মাঝারি আকারের ঝাড় ও ছয়টি সিলগালাকৃত খাম খুলে এ কার্যক্রম শুরু হয়।

পাগলা মসজিদে আগত দর্শনার্থীরা নগদ টাকার পাশাপাশি স্বর্ণ ও রুপার গয়না এবং বিভিন্ন দেশের বৈদেশিক মুদ্রা দান করেন। দানবাক্স খোলার পর এসব মূল্যবান সামগ্রী সিলগালা করে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ট্রেজারিতে জমা রাখা হয়। এবার সেগুলো খুলে স্বর্ণ ও রূপা ক্যারেট অনুযায়ী পৃথক করে ওজন নির্ধারণ করা হচ্ছে। পরে বাজারমূল্য নির্ধারণ করে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে নিলামে বিক্রি করা হবে। অন্যদিকে, বৈদেশিক মুদ্রা দেশভিত্তিক পৃথক করে বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ বিনিময় হার অনুযায়ী নগদায়ন করা হবে।

প্রেস ব্রিফিংয়ে জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন জানান, সর্বশেষ ২০২০ সালের ১১ মার্চ পাগলা মসজিদের দানবাক্সে পাওয়া স্বর্ণ, রূপা ও বৈদেশিক মুদ্রা পৃথক করে গণনা করা হয়েছিল। সে সময় ৪১৫ ভরি ১ আনা স্বর্ণ এবং ১৮৪ ভরি রূপা নিলামে বিক্রি করে মোট ১ কোটি ১৫ লাখ ৪ হাজার ৯০০ টাকা পাওয়া যায়। এ ছাড়া বৈদেশিক মুদ্রা নগদায়ন করে পাওয়া যায় ১ লাখ ২৭ হাজার ৬৫১ টাকা।

তিনি জানান, ২০২০ সালের ১১ মার্চের পর থেকে এ পর্যন্ত ১৮ বার দানবাক্স খোলা হয়েছে। সর্বশেষ গত ২৭ জুন দানবাক্স খোলা হয়। বর্তমানে পাগলা মসজিদের তহবিলে জমা রয়েছে ১৩১ কোটি ৮৫ লাখ ৪৪ হাজার ৮১০ টাকা। এ ছাড়া মসজিদের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইনে এ পর্যন্ত ৩৯ লাখ ৩২ হাজার ৯০৬ টাকা অনুদান পাওয়া গেছে।

এদিকে, ১ কোটি ১০ লাখ ৮৮ হাজার ৪৬৪ টাকা ব্যয়ে মসজিদ প্রাঙ্গণে তিনটি নামাজের শেড, অজুখানা ও নারীদের জন্য ওয়াশব্লক নির্মাণের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। গত ২৭ সেপ্টেম্বর এ কাজের কার্যাদেশ দেওয়া হয়। মুসল্লিদের জন্য মসজিদের বাইরে পাবলিক টয়লেট নির্মাণের কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। পাশাপাশি আধুনিক মসজিদ কমপ্লেক্স নির্মাণের নকশা প্রণয়নের কাজও প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে।

স্বর্ণ, রূপা ও বৈদেশিক মুদ্রা গণনা এবং ওজন নির্ধারণ কার্যক্রমে সার্বিক নিরাপত্তায় তিনজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, ১০ জন পুলিশ সদস্য ও ছয়জন এসআরবি সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। এ ছাড়া জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ছয়জন কর্মচারী, মসজিদের কর্মচারী, জুয়েলারি সমিতির ১০ জন স্বর্ণকার এবং রূপালী ব্যাংকের কর্মকর্তারা এ কাজে সহযোগিতা করছেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল খান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. ইশতিয়াক ইমন, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. এরশাদুল আহমেদ, কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কামরুল হাসান মারুফসহ জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা।

সারাদেশ থেকে আরও পড়ুন

সর্বশেষ

banglahour
banglahour
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রাপ্ত নিউজ পোর্টাল
উপদেষ্টা সম্পাদকঃ হোসনে আরা বেগম
নির্বাহী সম্পাদকঃ মাইনুল ইসলাম
ফোন: +৮৮ ০১৭৭৮০০৪৭০০
ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম
ফোন: +৮৮ ০১৭ ১২৭৯ ৮৪৪৯
বিশেষ প্রতিনিধিঃ তাহিরুল ইসলাম