ফাউন্ডেশনের পরিচালক সাইদুর রহমান বলেন, গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে প্রায় ৩০০ পরিবার নিশ্চিহ্ন হওয়ার ধারণা দেওয়া হয়েছে। সংস্থাটি সরাসরি দুর্ঘটনাস্থল বা পরিবারগুলোর তথ্য যাচাই করেনি। তাই বাস্তবে এ সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে।
সড়ক দুর্ঘটনা বিশেষজ্ঞ ও বুয়েটের অ্যাকসিডেন্ট রিসার্চ ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক মোহাম্মদ মাহবুব আলম তালুকদার বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় পুরো পরিবারের প্রাণহানির ঘটনা বাড়ছে। এটি একটি জটিল সমস্যা। দুর্ঘটনার ধরন অনুযায়ী বিজ্ঞানসম্মত ও কার্যকর প্রতিরোধব্যবস্থা নিতে হবে।
দুর্ঘটনা কমাতে মহাসড়কে রোড ডিভাইডার ও সার্ভিস রোড নির্মাণ, নিরাপদ সংযোগ সড়ক তৈরি, ফিটনেসবিহীন যানবাহন বন্ধ, চালকদের দক্ষতা নিশ্চিত এবং যানবাহনের গতিসীমা নিয়ন্ত্রণের সুপারিশ করেছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন। একই সঙ্গে সড়ক ব্যবস্থাপনায় সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর জবাবদিহি নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছে সংস্থাটি।
প্রতিবেদনে উঠে আসা এসব তথ্য বলছে, সড়ক দুর্ঘটনা এখন শুধু প্রাণহানির ঘটনা নয়, অনেক ক্ষেত্রে একটি পরিবারের অস্তিত্বও কেড়ে নিচ্ছে।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রাপ্ত নিউজ পোর্টাল
