ঢাকা: পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মোঃ শাহাব উদ্দিন বলেছেন, সদ্য সমাপ্ত জাতিসংঘ জলবায়ু সম্মেলন কপ-২৭ এ বাংলাদেশ বিভিন্ন ইস্যুভিত্তিক আলোচনায় বাংলাদেশসহ স্বল্পোন্নত দেশ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে অত্যন্ত বিপন্ন ও ঝুঁকিপূর্ণ দেশসূহের পক্ষে সফলভাবে কার্যকর ও বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেছে। 'হাই লেভেল সেগমেন্টে' বাংলাদেশের পক্ষে প্রদত্ত ‘কান্ট্রি স্টেটমেন্টে’ ২০২৫ সাল পর্যন্ত প্রতি বছর ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রদান নিশ্চিত করা এবং দীর্ঘমেয়াদী জলবায়ু অর্থায়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ‘নিউ কালেক্টিভ কোয়ান্টিফাইড গোল অন ক্লাইমেট ফাইন্যান্স’ আলোচনায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জনের জন্য জোরাল আহ্বান জানানো হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৯ নভেম্বর) সন্ধ্যায় পরিবেশ অধিদপ্তরের অডিটোরিয়ামে “২৭তম বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলন (কপ ২৭): প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা” শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিবেশমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, উন্নত দেশগুলিকে ২০২৫ সালের মধ্যে উন্নয়নশীল দেশসমূহে অভিযোজন অর্থায়ন দ্বিগুণ করার জন্য বাংলাদেশের পক্ষে অনুরোধ করা হয়েছে। এসময় জলবায়ু অর্থায়নের সংজ্ঞা চূড়ান্ত করা; এবং জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সহায়তা প্রদান করার অনুরোধ করা হয়েছে। এছাড়াও, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ‘লস এন্ড ড্যামেজ’ এড়ানো, কমানো এবং মোকাবেলার জন্য একটি অর্থায়ন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
পরিবেশমন্ত্রী বলেন, UNFCCC-ভুক্ত ১৯৭টি সদস্য রাষ্ট্র দীর্ঘ আলোচনার পর ২০ নভেম্বর ভোরে ‘শার্ম আল শেখ ইমপ্লিমেন্টেশন প্ল্যান’ গ্রহণসহ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়সমূহে ঐক্যমতে পৌঁছেছে। তিনি বলেন, সম্মেলনে অধিক বিপদাপন্ন উন্নয়নশীল দেশসমূহে “লস এন্ড ড্যামেজ” এর ক্ষতিপুরণের জন্যে নতুন একটি ফান্ড গঠন করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। কপ-২৮-এ উক্ত তহবিল কার্যকর করার জন্য এবং এর বিস্তারিত পরিকল্পনা ঠিক করার জন্য একটি ‘ট্রাঞ্জিশনাল কমিটি’ গঠন করা হয়েছে।
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ এর সভাপতিত্বে কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি সাবের হোসেন চৌধুরী।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রাপ্ত নিউজ পোর্টাল
