বেসিক ব্যাংকের বিভিন্ন শাখা থেকে ৪১টি প্রতিষ্ঠানকে দেয়া ঋণের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এ নিয়ে পাঁচ সদস্যের একটি অনুসন্ধান টিমও পুনর্গঠন করা হয়েছে। গত ১৪ আগস্ট এ টিম গঠন করা হয়। দুদকের বিশেষ তদন্ত শাখা থেকে এটি পরিচালিত হচ্ছে। দুদকের জনসংযোগ দপ্তর সূত্রে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
অনুসন্ধানের আওতায় থাকা প্রতিষ্ঠানগুলো হলো— ব্রাদার্স ইন্টারন্যাশনাল, এবি ট্রেডিং, ডেল্টা সিস্টেম লিমিটেড, ওয়েস্ট কোস্ট শিপ বিল্ডিং ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, সাহারা ইমপোর্ট লিমিটেড, আরনু জুট মিল লিমিটেড, গাজি অটো ব্রিকস, এস.বি.আই ট্রেডিং লিমিটেড, কিংস ট্রেডিং, ডোব ইন্টারপ্রাইজ, এস.এম অটো ব্রিকস, নভো অটো ব্রিকস, আটলাস ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেড, অ্যাপোলো ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন লিমিটেড, আদিব ডাইং, আনান সক্স লিমিটেড, ওয়েলটেক্স লিমিটেড, ই.এফ.এস ইন্টারন্যাশনাল, মা ট্রেক্স, এস.পি.এন এন্টারপ্রাইজ, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড, ফোর স্টিল, প্রোফিউশন টেক্স লিমিটেড, ব্রাদার্স ইন্টারপ্রাইজ, নিস অ্যারো ট্রেডিং ইন্টারপ্রাইজ, লাক্স ইন্ট, এনজেল এগ্রো, ওশেন অ্যান্ড ডিজাইন লিমিটেড, পেনিনসুলা শিপিং লিমিটেড, বাসগৃহ প্রোপার্টিজ, ফেসার্স কেমিও ইউএসএ নিট ওয়্যার লিমিটেড, এস.এফ.জি শিপিং লাইন, এস রিসোর্স শিপিং লিমিটেড, শিফান শিপিং
লিমিটেড, ইউনিক্রপ প্রোটেকশন লিমিটেড, দেশ পেস্টিসাইড লিমিটেড, এস সুহী শিপিং লাইন, কেমিও ইউএসএ নিট ওয়্যার লিমিটেড, টেকনো ডিজাইন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট লিমিটেড এবং বেলায়েত নেভিগেশন।
দুদক সূত্র জানিয়েছে, এ প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে। অনুসন্ধান শেষে প্রমাণ সাপেক্ষে মামলা দায়ের করা হবে। তবে কত হাজার কোটি টাকার ঋণের অনিয়ম হয়েছে তা এখনো জানা যায়নি।
অনুসন্ধান টিমের প্রধান উপপরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম, সদস্য হিসেবে রয়েছেন সহকারী পরিচালক মিনহাজ বিন ইসলাম ও মো. আনোয়ার হোসেন এবং উপসহকারী পরিচালক সাবরিনা জামান ও মাহমুদা আক্তার।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রাপ্ত নিউজ পোর্টাল
