সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা ১১তম গ্রেডে বেতন নির্ধারণসহ তিন দফা দাবিতে সোমবার (২৭ মে) থেকে পূর্ণদিবস কর্মবিরতি পালনের ঘোষণা দিয়েছেন। শিক্ষক ঐক্য পরিষদের ব্যানারে এই আন্দোলন চলছে, যা দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত চলবে বলে জানানো হয়েছে।
এর আগে ৫ মে থেকে ২৫ মে পর্যন্ত এক ঘণ্টা, দুই ঘণ্টা ও অর্ধদিবস কর্মবিরতি পালন করেন তারা। এবার আন্দোলনের পরবর্তী ধাপে যাচ্ছে তারা—পূর্ণদিবস কর্মবিরতি।
ঐক্য পরিষদের আহ্বায়ক এবং বাংলাদেশ প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ শামছুদ্দীন মাসুদ বলেন, “আমাদের যৌক্তিক দাবিগুলোর বিষয়ে এখনো সরকারের পক্ষ থেকে কোনো সিদ্ধান্ত আসেনি। তাই সোমবার থেকে আমরা পূর্ণদিবস কর্মবিরতি শুরু করছি।”
শিক্ষকদের মূল তিনটি দাবি হলো:
সহকারী শিক্ষক পদকে এন্ট্রি পদ ধরে ১১তম গ্রেডে বেতন নির্ধারণ;
১০ ও ১৬ বছর পূর্তিতে উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার জটিলতা নিরসন;
প্রধান শিক্ষক পদে শতভাগ পদোন্নতির ব্যবস্থা ও দ্রুত পদোন্নতি।
এছাড়াও তারা শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি চালু রাখা এবং প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা শুধু সরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার দাবিও তুলেছেন।
শিক্ষকদের এই কর্মসূচিতে প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থায় বড় ধরনের অচলাবস্থা দেখা দিতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। তবে এখনো পর্যন্ত সরকারের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রাপ্ত নিউজ পোর্টাল
