একটি কিডনি যদি কেউ দান করতেন, আমার স্বামী বেঁচে যেতেন, সন্তানদের মুখে আবার হাসি ফুটত"—কান্নাজড়িত কণ্ঠে বললেন ফাতেমা বেগম, ঠাকুরগাঁও পৌরসভার কর্মচারী মো. জুয়েলের স্ত্রী।
মাত্র ৩৭ বছর বয়সী জুয়েল আজ রাজধানীর একটি বিশেষায়িত হাসপাতালে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে। কিছুদিন আগেও তিনি ছিলেন কর্মঠ, হাসিখুশি এবং সততার প্রতীক হিসেবে পরিচিত একজন মানুষ। হঠাৎ অসুস্থতা দেখা দিলে চিকিৎসকদের পরামর্শে বিভিন্ন পরীক্ষায় ধরা পড়ে—তাঁর দুটি কিডনিই অকার্যকর হয়ে গেছে।
বর্তমানে তাঁর বাঁচার একমাত্র উপায় কিডনি প্রতিস্থাপন।
জুয়েলের রক্তের গ্রুপ B+ (পজিটিভ)। একজন সুস্থ, ইচ্ছুক ও সহানুভূতিশীল ব্যক্তি যদি কিডনি দান করতে এগিয়ে আসেন, তাহলে নতুন জীবন ফিরে পেতে পারেন তিনি।
জুয়েলের সহকর্মীরা জানান, চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে কিডনি দানের ঝুঁকি প্রায় শূন্যের কাছাকাছি। একজন মানুষের একটি কিডনি দিয়েই স্বাভাবিক জীবন যাপন সম্ভব। আর সেই একটি কিডনিই এখন জুয়েলের বেঁচে থাকার শেষ আশার আলো।
ঠাকুরগাঁওয়ের টিকিয়াপাড়ার বাসিন্দা এবং পৌরসভার কর্মচারী জুয়েল কর্মজীবনে সততা, নিষ্ঠা ও সহযোগিতার কারণে সহকর্মীদের ভালোবাসা অর্জন করেছেন। আজ সেই জুয়েলের পাশে দাঁড়াতে সমাজের মানবিক মানুষগুলোর সহানুভূতির প্রয়োজন।
যোগাযোগ করুন:
সোহান – ০১৭৬৪৭১৪৬৩৪
ঠিকানা: ঠাকুরগাঁও
আপনার একটি সিদ্ধান্ত, একটি জীবন বাঁচাতে পারে।
জুয়েলের চোখে এখনো বেঁচে থাকার আশা আছে—প্রয়োজন শুধু আপনার ভালোবাসা ও সহমর্মিতার স্পর্শ।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রাপ্ত নিউজ পোর্টাল
