রমজানের আগেই জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ আভাস দেন।
প্রেস সচিব জানান, “নির্বাচন ফেব্রুয়ারি বা এপ্রিলের মধ্যে হতে পারে। এর মানে হলো, নির্বাচন আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো ও প্রস্তুতি এখন থেকেই শুরু করতে হবে।”
জাতির উদ্দেশ্যে প্রধান উপদেষ্টার ভাষণের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “ভাষণে উনি বলেছেন, এপ্রিলের প্রথমার্ধে নির্বাচন হতে পারে। আমরা পরে ব্যাখ্যা করেছি, যদি প্রয়োজনীয় সংস্কারগুলো সম্পন্ন হয়, তাহলে ফেব্রুয়ারিতেও নির্বাচন হতে পারে — অর্থাৎ রোজার আগেই।”
নির্বাচনকে সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিশ্চিত করতে ডিসেম্বরের মধ্যেই প্রস্তুতি সম্পন্ন করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ নির্দেশনা দিয়েছেন বলেও জানান শফিকুল আলম।
তরুণ ভোটারদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে প্রধান উপদেষ্টা নতুন এক প্রস্তাব দিয়েছেন। তিনি বলেন, “১৮ থেকে ৩৩ বছর বয়সী ভোটারদের জন্য পৃথক ভোটার তালিকা ও বুথ রাখার বিষয়ে খতিয়ে দেখতে বলা হয়েছে।”
এ সময় অতীতের নির্বাচন নিয়ে মন্তব্য করে প্রেস সচিব বলেন, “আপনারা জানেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন তিনটি নির্বাচনে কারচুপি হয়েছিল। তরুণদের অনেকে তখন ভোট দিতে পারেনি।”
বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে এই বার্তা নতুন আলোচনার সূত্রপাত করেছে। নির্বাচনকালীন সরকার, ভোটার নিরাপত্তা ও অবাধ ভোটের পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রধান উপদেষ্টার এমন অবস্থান বেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রাপ্ত নিউজ পোর্টাল
