প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল
ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগে গাইবান্ধা-৫ আসনের উপনির্বাচন বন্ধ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। বুধবার দুপুরে (১২ অক্টোবর) নির্বাচন কমিশন ভবন থেকে সিসিটিভি ক্যামেরায় নির্বাচন পর্যবেক্ষণের সময় এ কথা জানান প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল।
এর আগে, দুপুর পর্যন্ত জালিয়াতির মাধ্যমে গোপন কক্ষে একজনের পরির্বতে আরেকজন ভোট দেওয়ার অভিযোগে মোট ৫১টি কেন্দ্রের ভোট গ্রহণ বন্ধ করা হয়।
উপনির্বাচন বন্ধ প্রসঙ্গে কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, ভোট নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে। আমরা স্বচক্ষে গোপন কক্ষে অবৈধভাবে প্রবেশ করে ভোট দিয়ে দিতে দেখেছি। তাই ভোটকেন্দ্র বন্ধ করা হয়েছে।
বুধবার সকাল ৮টা থেকে গাইবান্ধা-৫ উপনির্বাচনের ভোট গ্রহণ শুরু হয়।
গাইবান্ধা-৫ আসনটি ফুলছড়ি ও সাঘাটা উপজেলা নিয়ে গঠিত। সাঘাটা উপজেলার ১০টি ও ফুলছড়ি উপজেলার ৭টিসহ মোট ১৭টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত এ আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ৩৯ হাজার ৭৪৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৬৯ হাজার ৫৮৩ জন এবং নারী ভোটার ১ লাখ ৭০ হাজার ১৬০ জন।
উপ-নির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলছিলো সাঘাটা উপজেলায় ৮৮টি এবং ফুলছড়ি উপজেলায় ৫৭টিসহ মোট ১৪৫টি কেন্দ্রে ৯৫২টি বুথে।
গত ২২ জুলাই জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার মো. ফজলে রাব্বী মিয়ার ইন্তেকালে তার সংসদীয় আসন শূন্য ঘোষণা করা হয়।
এ উপনির্বাচনে মোট ৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন- আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মো. মাহমুদ হাসান, জাতীয় পার্টির প্রার্থী এইচ এম গোলাম শহীদ রঞ্জু, বিকল্প ধারা বাংলাদেশের প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম, স্বতন্ত্র প্রার্থী সৈয়দ মাহবুবার রহমান ও স্বতন্ত্র প্রার্থী নাহিদুজ্জামান নিশাদ।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রাপ্ত নিউজ পোর্টাল
