ঢাকা, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, মঙ্গলবার, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
banglahour গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রাপ্ত নিউজ পোর্টাল

English

নির্ধারিত সময়ের আগেই স্কুলে তালা, দিঘলিয়ায় ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ

সারাদেশ | ব্যুরো প্রধান খুলনা।

(৪ ঘন্টা আগে) ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সোমবার, ৮:৪২ অপরাহ্ন

banglahour


খুলনার দিঘলিয়া উপজেলার সেনহাটি ইউনিয়নে সূর্যমুখী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বেলা দুইটার মধ্যে প্রধান শিক্ষক  শিক্ষার্থীদের ছেড়ে দিয়ে তালা বন্ধ করে চলে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী জানায়, বেলা দুটোর মধ্যেই ছুটি দিয়ে চলে গেছে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নাসিমা খাতুন। বেলা দুটোর পর  মিডিয়াকর্মীরা বিদ্যালয়ে গেলে বিদ্যালয় ভবনের প্রধান গেটে তালা লাগানো দেখা যায়। শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায় বিদ্যালয় সকাল নটা থেকে সোয়া চারটা পর্যন্ত কার্যক্রম। এভাবে সরকার নির্ধারিত সময়ের আগেই স্কুল বন্ধ করে চলে যাওয়ার ঘটনায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী ও অভিভাবক মহল। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এলাকাবাসী জানিয়েছে প্রধান শিক্ষক ক্ষমতার অপব্যবহার করে মাঝেমধ্যেই বিদ্যালয় প্রকৃত সময়সূচির আগে ছুটি দিয়ে চলে যায়।

অভিভাবকদের সাথেও চরম দুর্ব্যবহার করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। জানা গেছে আজ নজরুল বর্ষ উপলক্ষে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয় এই বিদ্যালয়ে।
সেখানে সেনহাটী ইউনিয়নের সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের  অংশগ্রহণ ইচ্ছুক শিক্ষার্থীরা উপস্থিত হয়। বেলা সাড়ে বারোটার দিকে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠান শেষ হয় এবং তারা স্বস্ব স্কুলে চলে যায়  বলে অংশগ্রহণকারী বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা জানান। এর কিছুক্ষণ পরে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নাসিমা খাতুন বিদ্যালয় তালা বন্ধ করে সকল শিক্ষকদের নিয়ে বেরিয়ে যান। এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণীর এক শিক্ষার্থী জানায়, দুপুরের আযানের আগেই বিদ্যালয় বন্ধ করা হয়েছে।


বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নাসিমা খাতুন এর সাথে কথা হলে তিনি বিষয়টি একেবারেই অস্বীকার করেন। বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক হিসেবে এ ধরনের মিথ্যা বলে নিজের দোষ লুকানোর চেষ্টা করেন। ভিডিও চিত্রে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর সাথে যখন কথা বলে তখন সময় দেখা যাচ্ছে দুটা বেজে ৪৮ মিনিট, সাবেক প্রধান শিক্ষক অলক কুমার দত্তের সাথে যখন কথা বলছে তখন সময় বেলা দুইটা বেজে ৫১ মিনিট। অথচ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা নাসিমা খাতুন অবলীলায় মিথ্যা বলে গেলেন। একজন শিক্ষক যদি এমন মিথ্যা বলেন, তাহলে তাকে দিয়ে কি শিক্ষকতা কিভাবে  হবে?এমন প্রশ্ন করেছেন সাধারণ মানুষ?


এ বিষয়ে দিগলীয়া উপজেলা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার টি.এম. শাহ আলম বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান তিনি। 
যে শিক্ষকদের কাছে কোমলমতি শিশুদের প্রাথমিক শিক্ষা দেওয়া হয় সেই শিক্ষকের এহেনও মিথ্যা বলা ও ফাঁকি দেয়ার অভ্যাস হলে প্রাথমিক শিক্ষায় নেয়া বর্তমান সরকারের পরিকল্পনা চরম অন্তরায় হয়ে দাঁড়াবে।

সারাদেশ থেকে আরও পড়ুন

সর্বশেষ

banglahour
banglahour
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রাপ্ত নিউজ পোর্টাল
উপদেষ্টা সম্পাদকঃ হোসনে আরা বেগম
নির্বাহী সম্পাদকঃ মাইনুল ইসলাম
ফোন: +৮৮ ০১৭৭৮০০৪৭০০
ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম
ফোন: +৮৮ ০১৭ ১২৭৯ ৮৪৪৯
বিশেষ প্রতিনিধিঃ তাহিরুল ইসলাম