ঢাকা, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, শুক্রবার, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
banglahour গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রাপ্ত নিউজ পোর্টাল

English

যুদ্ধবিধ্বস্ত লেবাননের শিশুরাও পাচ্ছেনা খাবার

বিশ্ব | মু: শাহপরান সাইম

(৩ বছর আগে) ২৪ মে ২০২৩, বুধবার, ৫:২৩ অপরাহ্ন

banglahour

ফাইল ফটো।

যুদ্ধবিধ্বস্ত লেবাননের ৮০ শতাংশ মানুষই চরম দারিদ্রসীমার নিচে বসবাস করছে। এদিকে পৃথিবীকে কোভিড-১৯ জরুরী অবস্থা মুক্ত ঘোষণা করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। কিন্তু লেবাননের অর্থনৈতিক অবস্থার বেহালদশা কাটছেই না। আরও কতদিন ওখানে এভাবে কাটবে অর্থনৈতিক দুর্দশা এনিয়ে চিন্তিত বিশ্লেষকরাও।

অর্থনৈতিক সংকটে পতিত লেবাননের অনেক দরিদ্র মা-বাবা শিশুদের খাবার যোগাতে পারছেন না। তাই শিশুদের যারা কাজ করতে পারে তাদের নানা রকম ছোট-খাট কাজে পাঠাচ্ছেন তারা। কিন্তু কাজেরও ব্যবস্থা নেই অধিকাংশের জন্য।  তাই অনেক বাবা-মা-ই তাদের শিশু সন্তানদের খাবারের অভাবে আশ্রয়কেন্দ্রে পাঠিয়ে দিতে বাধ্য হচ্ছেন।

দেশটির একজন মানবাধিক কর্মী যিনি আন্তর্জাতিক একটি  সংস্থায় কাজ করছেন পল নিউমেল এক প্রশ্নের জবাবে বলছিলেন, এখানে মানুষের পর্যাপ্ত খাবারের ব্যবস্থাই নেই শিশুদের জন্য। তাহলে বড়দের কি অবস্থা সহজেই অনুমান করা যায়। আর বাসস্থান, চিকিতসা বা বস্ত্রের কথা কি বলব।

তিনি আরও বলেন, দেশটির সরকার অনেক সীমাবদ্ধতা সত্তেও আপ্রান চেষ্টা করছে। আন্তর্জাতিক সাহাজ্য আরও দরকার। এখানে প্রতিটি পর্যায়ে সমস্যা অনেক কাজ করার জায়গা আছে। আশা করছি দ্রতই মানুষের জীবন মানের উন্নতি হবে। 
 
উত্তর লেবাননের আক্কারা প্রদেশের একটি আশ্রয় কেন্দ্র বলছে, তাদের আশ্রয়ে থাকা শিশুর সংখ্যা দ্বিগুন বেড়ে গেছে। বাবা-মা-কে ছাড়া শিশুরা থাকলেও তাদের খাওয়া দাওয়া ও পড়াশোনার ব্যবস্থা ভাল আছে। কেন্দ্রেগুলি চিকিতসারও ব্যবস্থা রেখেছে পর্যাপ্ত।

আশ্রয় কেন্দ্রে থাকা এক শিশু বলছিল, এখানে আমরা লেখা পড়া করতে পারি। যা বাড়িতে পারতাম না। এখানে অনেক বন্ধু আছে আমাদের, আছে পর্যাপ্ত খেলা-দোলার ব্যবস্থাও। আমার বন্ধুরা অনেক ভালবাসে, আমিও তাদের খুবি ভালবাসি।

একবাবা বলছিলেন, দিন যত যাচ্ছে লেবাননে কাজের পরিস্থিতি আরও খারাপ হচ্ছে। আমি প্রতিদিন ১ ডলারের বেশি ইনকাম করতে পারি না। এদিয়ে আমার একার খরচই উঠার কথা না। সে জায়গায় আমি সংসার চালাব কি করে। শুধু আমার একার না এ অবস্থা ৯৫ শতাংশ পরিবারের।

উল্লেখ্য, আশ্রয় কেন্দ্রগুলিতে দিনকি দিন শিশুর সংখ্যা বাড়ছে। বাড়ছে দরিদ্র পরিবার ও আশ্রয় কেন্দ্রের সংখ্যাও। এতে দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি আরও অবনতি হচ্ছে বলে বিশেষজ্ঞদের অভিমত ।

(সূত্র: ডেইলি মেইল)।

বিশ্ব থেকে আরও পড়ুন

সর্বশেষ

banglahour
banglahour
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রাপ্ত নিউজ পোর্টাল
উপদেষ্টা সম্পাদকঃ হোসনে আরা বেগম
নির্বাহী সম্পাদকঃ মাইনুল ইসলাম
ফোন: +৮৮ ০১৭৭৮০০৪৭০০
ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম
ফোন: +৮৮ ০১৭ ১২৭৯ ৮৪৪৯
বিশেষ প্রতিনিধিঃ তাহিরুল ইসলাম