বর্তমানে দেশে যে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি চলছে সেখান থেকে শৃঙ্খলা ফেরানোই হবে নতুন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান চ্যালেঞ্জ৷ একই সঙ্গে মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফেরাতে হবে৷ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে তাদের কাজে ফিরিয়ে আনতে হবে৷
বিশিষ্টজন ও শিক্ষাবিদরা এমন অভিমত ব্যক্ত করে বলেছেন, শিক্ষার্থীরা যেটা চেয়েছে সেটা মেনেই রাষ্ট্র কাঠামোতে সংস্কার করতে হবে৷ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকেই সেটা করতে হবে৷
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমিরেটাস অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী ডয়চে ভেলেকে বলেন, ‘‘নতুন যে সরকারটি গঠন হতে যাচ্ছে, সেই সরকারের প্রথম কাজ হবে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ফিরিয়ে আনা৷ দেশে এখন যে হামলা, লুটতরাজ হচ্ছে, সেগুলো যত দ্রুত সম্ভব বন্ধ করা৷ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরিয়ে আনতে হবে৷ পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি যে কাজগুলো করতে হবে, সেখানে প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতায় ভারসাম্য আনতে হবে৷ প্রধানমন্ত্রী যে একচ্ছত্র ক্ষমতা ভোগ করেন, সেটা কমাতে হবে৷ আবার পার্লামেন্টে কোনো এমপি দলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ভোট দিলে তার সদস্যপদ বাতিল হয়ে যায়৷ এটা তো বাকস্বাধীনতা হলো না৷ দলের কোনো সিদ্ধান্তে কোনো এমপি একমত নাও হতে পারেন, ফলে তার মত প্রকাশের স্বাধীনতা দিতে হবে৷ এমন অনেক কিছুই করতে হবে৷ যে কাজগুলো এই অন্তর্বর্তী সরকার হয়ত পারবে না, পরবর্তী সংসদে এগুলো করতে হবে৷''
বৃহস্পতিবার রাত ৮টায় অন্তর্বর্তী সরকারের শপথ হতে পারে বলে জানিয়েছেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান৷ বুধবার বিকেলে সেনাসদরে বিফ্রিংয়ে এ তথ্য জানান তিনি৷ সেনাপ্রধান বলেন, ‘‘ড. ইউনূস আগামীকাল দেশে আসবেন৷ আমি তাকে বিমানবন্দরে রিসিভ করবো৷ আশা করি আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) রাত ৮টায় অন্তর্বর্তী সরকারের শপথ অনুষ্ঠিত হবে৷ এ সরকারে ১৫ জন সদস্য থাকতে পারেন৷'' পুলিশ সক্রিয় হলে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসবে বলেও মনে করেন তিনি৷

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রাপ্ত নিউজ পোর্টাল
