ঢাকা, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
banglahour গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রাপ্ত নিউজ পোর্টাল

English

পায়ে কিন্তু কেউ সোনার গহনা পরে না, কারণ কি?

অন্যান্য | অনলাইন ডেস্ক

(১ বছর আগে) ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪, বৃহস্পতিবার, ১:৫৬ অপরাহ্ন

banglahour

আবার দৈনন্দিন জীবনেও রয়েছে সোনা পরার চল। বিশেষ করে বিবাহিত নারীরা বাড়িতে সবসময় সোনার গহনা পরে থাকেন, বিশেষ করে বাড়ির মুরব্বি— মা-চাচি-দাদিরা ।

সে হার, দুল, চুড়ি বা আংটি যাই হোক না কেন! সব জায়গায় পরার জন্য সোনার গহনা থাকলেও পায়ে কিন্তু কেউ সোনার গহনা পরে না। পায়ে রুপার মল বা আংগট পরার চল রয়েছে। তবু সোনার গহনা পরতে দেখা যায় না। এর কারণ কী, আমরা অনেকেই তা জানি না।এদিকে হিন্দু শাস্ত্রে দেবী লক্ষ্মীর প্রতীক হিসাবে বিবেচনা করা হয় সোনা। অর্থাৎ সোনা সম্মান ও সমৃদ্ধির সঙ্গে যুক্ত। পা শরীরের নিচের অংশ। তাই সেখানে কখনই ধন-ঐশ্চর্যের প্রতীক দেবী লক্ষ্মীর স্থান হতে পারে না। পায়ে সোনা পরাকে লক্ষ্মীর অপমান বলেই ধরে নেওয়া হয় হিন্দু শাস্ত্রমতে। এতে দেবী রুষ্ট হতে পারেন, তাই পায়ে সোনার গহনা পরার চল নেই।

আবার এর পেছনে আছে বৈজ্ঞানিক যুক্তিও— সোনা তাপ ও বিদ্যুৎ পরিবাহী। পায়ে সোনার গহনা পরলে শরীরে শক্তির প্রবাহ ব্যাহত হয়। পায়ের তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। যার কারণে শারীরিক অস্বস্তি হতে পারে। তা ছাড়া সোনা নরম ধাতু।পায়ে ক্রমাগত ঘর্ষণের কারণে এর গুণমান নষ্ট হতে পারে। এ কারণেই পায়ে রুপার গহনা পরা হয়। রুপা নেতিবাচক শক্তি শোষণ করে শরীর ঠান্ডা রাখে। ভালো ঘুম হয়। শরীরের শক্তিও বৃদ্ধি পায়।

আবার ইতিহাস বলছে— পায়ে সোনার গহনা না পরার ইতিহাস বহু প্রাচীন। বৈদিক যুগেও এই প্রথা চালু ছিল। সেই সময়ের বিভিন্ন গ্রন্থে রাজা ও দেবতাদের শরীরের ওপরের অংশেই সোনার গহনা পরার বর্ণনা পাওয়া যায়। কিন্তু পায়ে সোনার গহনা পরার প্রথা কিছুই খুঁজে পাওয়া যায়নি। 

অন্যান্য থেকে আরও পড়ুন

সর্বশেষ

banglahour
banglahour
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রাপ্ত নিউজ পোর্টাল
উপদেষ্টা সম্পাদকঃ হোসনে আরা বেগম
নির্বাহী সম্পাদকঃ মাইনুল ইসলাম
ফোন: +৮৮ ০১৭৭৮০০৪৭০০
ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম
ফোন: +৮৮ ০১৭ ১২৭৯ ৮৪৪৯
বিশেষ প্রতিনিধিঃ তাহিরুল ইসলাম