ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ বলেছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠার মূল উদ্দেশ্য ছিল আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা ও গবেষণা নিশ্চিত করা, যা বাস্তবায়নে তিনি অঙ্গীকারাবদ্ধ। শুক্রবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই এসোসিয়েশনের সাধারণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
ড. নকীব নসরুল্লাহ বলেন, মক্কা সম্মেলনের ঘোষণার মধ্য দিয়ে আধুনিক ও ইসলামী শিক্ষার সমন্বয়ে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হয়, যা বাংলাদেশের সীমা ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক পরিচিতি লাভ করে। তিনি অ্যালামনাইদের অবদানের কথা তুলে ধরে বলেন, "ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রগতিতে অ্যালামনাইদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। দেশের সনামধন্য নাগরিক তৈরিতে ইবির ভূমিকা অনন্য।" তিনি আরও জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আজ দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিশ্বজুড়ে সুনাম অর্জন করছে।
‘ইউনাইটেড ইন ব্রাদারহুড’ স্লোগানে আয়োজিত এই সাধারণ সভায় সভাপতিত্ব করেন অ্যালামনাইয়ের আহ্বায়ক মুহাম্মদ নাজমুল হক সাঈদী। তিনি বলেন, "ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় আন্তর্জাতিক মানের প্রতিষ্ঠান হওয়ার কথা থাকলেও নানা বাধা ও ষড়যন্ত্রে তা বাধাগ্রস্ত হয়েছে। গত সাড়ে ১৫ বছরে ইবির ওপর চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে নানান প্রতিকূলতা। তবে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় এবার নতুন রূপে এগিয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।"
সভায় আরও বক্তব্য রাখেন ডিআইজি ড. মো. আশরাফুর রহমান, অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল হান্নান (রাবি), অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল আওয়াল, অধ্যাপক ড. শহিদ মো. রেজওয়ান, অধ্যাপক ড. মো. আবু সিনা, মাওলানা তারেক মনোয়ার, অধ্যাপক ড. মো. ইকবাল হোসাইন প্রমুখ।
বিকেলের দ্বিতীয় অধিবেশনে অ্যালামনাইয়ের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা ও গঠনতন্ত্র অনুমোদন করা হয়। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই এসোসিয়েশনের আহ্বায়ক হিসেবে নাজমুল হক সাঈদী এবং সদস্য সচিব হিসেবে মুহাম্মদ আবদুল হাই নির্বাচিত হন। সিদ্ধান্ত হয়, তারা একটি সার্চ কমিটির মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করবেন।
বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী এই আনন্দঘন আয়োজনের সমাপ্তি ঘটে। অনুষ্ঠানে ইবির কয়েক হাজার নিবন্ধিত অ্যালামনাই ছাড়াও শিক্ষক, কর্মকর্তা ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা অংশ নেন।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রাপ্ত নিউজ পোর্টাল
