ঢাকা: ইসলামী ছাত্রশিবিরের চার নেতাকে গুমের পর গভীর রাতে হাত ও চোখ বাঁধা অবস্থায় পায়ে গুলি করে পঙ্গু করার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন কার্যালয়ে ভুক্তভোগী নেতারা এ বিষয়ে সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চেয়ে অভিযোগ দায়ের করেন। তাদের সঙ্গে ছিলেন ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় আইন সম্পাদক আবদুল্লাহ আল নোমান ও সহকারী আইন সম্পাদক আমানুল্লাহ আদিব।
গুম হওয়া নেতারা হলেন জয়পুরহাট জেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি মো. আবুজর গিফারী, সাবেক সেক্রেটারি ওমর আলী, যশোরের চৌগাছা উপজেলা শিবিরের সাহিত্য সম্পাদক মো. রুহুল আমিন এবং সেক্রেটারি ইস্রাফিল হোসেন।
আবদুল্লাহ আল নোমান বলেন, “ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার শাসনামলে ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের ওপর চরম নির্যাতন চালানো হয়েছে। গুম হওয়া এই চার নেতা সেই বর্বরতার শিকার। পুলিশের নির্যাতনের ফলে তাদের পা কেটে ফেলতে হয়েছে এবং কৃত্রিম পা সংযোজন করতে হয়েছে। রাত ৩টার দিকে আবুজর ও ওমরকে পায়ে গুলি করা হয়, একইভাবে নির্জন স্থানে নিয়ে রুহুল ও ইস্রাফিলের পায়ে গুলি করা হয়।”
ছাত্রশিবিরের আইন সম্পাদক নোমান আরও জানান, ছাত্রশিবিরের দায়িত্ব পালন করার কারণেই তাদের এই সহিংসতার শিকার হতে হয়েছে। তিনি বলেন, “আমাদের জনশক্তির ওপর এমন অসংখ্য নির্যাতনের নজির রয়েছে। আমরা পর্যায়ক্রমে সব ঘটনাই সামনে নিয়ে আসব।”
এ বিষয়ে এখনো আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বা সরকারের পক্ষ থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রাপ্ত নিউজ পোর্টাল
