ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেছেন, তেহরান সিরিয়ার ভৌগোলিক অখণ্ডতা ও স্থিতিশীলতার পক্ষে থাকবে এবং সে দেশের জনগণের অনুমোদিত যে কোনো সরকারকে সমর্থন করবে। কাতারের গণমাধ্যম আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেন তিনি।
আরাগচি বলেন, "আমরা সিরিয়ার জনগণের অনুমোদিত যে কোনো সরকারকে সমর্থন করি এবং দেশটির ঐক্য ও স্থিতিশীলতার পক্ষে থাকব।"
এছাড়া, তিনি ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকার জনগণকে সহায়তা দেওয়ার জন্য ইরানের প্রস্তুতির কথা জানান এবং চলমান সংঘাতে ফিলিস্তিনিদের দৃঢ়তার প্রশংসা করেন। গাজার প্রতিরোধ গোষ্ঠীগুলোকে তাদের বিজয়ের জন্য অভিনন্দন জানিয়ে তিনি সম্প্রতি অনুষ্ঠিত বন্দি বিনিময়ের মাধ্যমে ফিলিস্তিনি বন্দিদের মুক্তির প্রশংসা করেন।
আরাগচি বলেন, "৭ অক্টোবরের ঘটনা ফিলিস্তিনি আন্দোলনের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন। এটি ফিলিস্তিন ইস্যুটিকে পুনরুজ্জীবিত করেছে এবং আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পর্যায়ে প্রধান আলোচনার বিষয় বানিয়েছে।"
এই সপ্তাহে কাতারের রাজধানী দোহা সফর করেন ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী। সেখানে তিনি কাতারের প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং হামাস নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন এবং মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন।
তবে, আঞ্চলিক রাজনীতিতে ইরানের জন্য চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে। প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের সরকার পতনের পর থেকে সিরিয়ায় ইরানের প্রভাব কিছুটা দুর্বল হয়েছে। সিরিয়ায় নিজেদের অবস্থান ধরে রাখতে ইরানকে কৌশলগত পরিবর্তন আনতে হচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রাপ্ত নিউজ পোর্টাল
