বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) বুধবার সিন্ডিকেট সভা ডেকে হল ও বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হওয়ার কথা থাকলেও সভাটি অনুষ্ঠিত হয়নি। শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা না পাওয়ায় সভা করা যায়নি বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মো. শহীদুল হক।
তিনি বলেন, “গতকালের আলোচনার ভিত্তিতে দু’পক্ষের স্বাক্ষরে একটি লিখিত ডকুমেন্ট করে তা সিন্ডিকেট সভায় এজেন্ডা হিসেবে পাঠানোর জন্য শিক্ষার্থীদের আলোচনায় আহ্বান করা হয়েছিল। সকাল থেকে একাধিকবার আলোচনায় বসতে বলা হলেও তারা আসেনি। ফলে এজেন্ডা তৈরি করা সম্ভব হয়নি এবং সিন্ডিকেট সভা হয়নি।”
এদিকে শিক্ষার্থীরা বলছেন, প্রশাসন প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছে। পশুপালন অনুষদের শিক্ষার্থী এ.জেড.এম. এহসানুল হক হিমেল জানান, “শিক্ষার্থীরা সহযোগিতা করলেও প্রশাসন কথা রাখেনি। মঙ্গলবার রাতের বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছিল, বুধবার বিকাল ৫টার মধ্যে সিন্ডিকেট সভা করে হল ছাড়ার নোটিশ প্রত্যাহার, সাত দিনের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় খোলা এবং শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা বা একাডেমিক হয়রানি না করার লিখিত নিশ্চয়তা দেবে প্রশাসন। কিন্তু তারা তা দেয়নি।”
শিক্ষার্থীরা আরও জানায়, লিখিত স্টেটমেন্ট না পাওয়া পর্যন্ত তারা প্রশাসনের সঙ্গে কোনো আলোচনায় বসবে না। এতে সংকট সমাধানের পথে নতুন করে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রাপ্ত নিউজ পোর্টাল
