এস এস রাজামৌলির মেগা প্রজেক্ট ‘বারাণসী’র কাজ নিয়ে এই মুহূর্তে ব্যস্ত সময় পার করছেন দক্ষিণী মেগাস্টার মহেশ বাবু। সেই ছবির শুটিং শেষ না হতেই তাঁর পরবর্তী সিনেমা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। আর সেই আলোচনার মূলে যিনি, তিনি হচ্ছেন বলিউডের মহাকাব্যের জাদুকর সঞ্জয় লীলা বনশালি।
বেশ কিছুদিন ধরেই গুঞ্জন চলছিলো, দক্ষিণের প্রথম সারির সুপারস্টারকে নিয়ে নিজের স্বপ্নের প্রজেক্ট সাজাচ্ছেন বনশালি। আল্লু অর্জুন, এনটিআর জুনিয়র কিংবা রাম চরণের মতো একের পর এক নাম উঠে আসছিলো আলোচনায়। কিন্তু এইমুহূর্তে খবর ছড়িয়ে পড়েছে যে বনশালির চোখ নাকি এখন দক্ষিনের সিনেমার ‘প্রিন্স’ মহেশ বাবুর ওপর।
দক্ষিণে ইতিমধ্যেই গুঞ্জন শুরু হয়েছে, এই দুই কিংবদন্তি পরিচালক-অভিনেতার মধ্যে গোপন বৈঠকও সম্পন্ন হয়েছে, মহেশ বাবুকে একটি দুর্দান্ত চিত্রনাট্য শুনিয়েছেন বনশালি। রাজামৌলির চোখ দিয়ে বিশ্বমঞ্চ জয়ের পর বনশালির রাজকীয় ক্যানভাসে যদি মহেশ আত্মপ্রকাশ করেন, তবে তা যে সিনেমার ইতিহাসে এক অভূতপূর্ব অধ্যায় তৈরি করবে, তা নিয়ে বিন্দুমাত্র সন্দেহ নেই।
যদিও এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। মহেশ বাবু তার সিনেমায় নিজেকে শতভাগ উজাড় করে দিতে ভালবাসেন। আপাতত তাঁর চোখ শুধুই ‘বারাণসী’। এমন খবরও বেরিয়েছে, রাজামৌলির ছবি মুক্তি পাওয়ার পরেই নিজের পরবর্তী পদক্ষেপ আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করবেন তারকা।
অন্যদিকে শোনা যাচ্ছে, ‘বারাণসী’র শুটিং এখন একদম শেষ পর্যায়। মহেশ বাবু নিজের অধিকাংশ দৃশ্যের শুটিং সম্পন্ন করে ইতিমধ্যেই ডাবিং স্টুডিওতে পা রেখেছেন। বাকি রয়েছে কেবল তাঁর গ্র্যান্ড ইন্ট্রোডাকশন অংশের কাজ—যা শুটিং করার জন্য এখন পরিচালক ও নায়কের সময়সূচির নিখুঁত মেলবন্ধনের অপেক্ষা। ছবিতে প্রিয়াঙ্কা চোপড়াও তাঁর সিংহভাগ শুটিং শেষ করে ফেলেছেন এবং পৃথ্বীরাজ সুকুমারনের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ দৃশ্যও ক্যামেরাবন্দি করা হয়ে গেছে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে ২০২৭ সালের ৭ এপ্রিল প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে চলেছে ‘বারাণসী’র তুফান।
এখন একটাই প্রশ্ন—রাজামৌলির ‘বারাণসী’ শেষ হলেই কি বনশালীর রাজকীয় সাম্রাজ্যে প্রবেশ করবেন দক্ষিণী সিনেমার 'প্রিন্স' ? সময় হলেই এর উত্তর মিলবে, তবে সিনেমাপ্রেমীদের রোমাঞ্চ কিন্তু এখন চরম সীমায়।
সুত্র: আজকাল অবলম্বনে।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রাপ্ত নিউজ পোর্টাল
