কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলার শরীফপুর হাওরে নদীর ওপর নির্মিত সেতুর সংযোগসড়কের মাটি বর্ষায় সরে গেছে। ফলে, বিছিন্ন সেতুর দুই পাশের সংযোগ সড়ক। চলে না যানবাহন, সেতু পারাপারে বাড়তি পরিশ্রম ও নষ্ট মানুষের। চরম দুর্ভোগে স্থানীয় বাসিন্দা ও কৃষকরা। ব্যাহত হচ্ছে কৃষিকাজ। বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বর্ষা মৌসুমে পানির স্রোত ও ভাঙনের কারণে সেতুর দুই পাশের সংযোগস্থল থেকে মাটি সরে গেছে, এতে সড়ক থেকে সেতুটির উচ্চতা বেশি হওয়ায় চলাচল করে না যানবাহন। দু'পাশে যানবাহন রেখে মাথায় করে মালামাল সেতু পারাপার করতে হয়।
কৃষি যন্ত্রপাতি, সারসহ বিভিন্ন কৃষি যন্ত্র ও কৃষি পণ্য পরিবহন, হাওর থেকে মাছ আনা-নেওয়ায় ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে কৃষকদের। এ ছাড়া শত শত গরু মহিষ ও গবাদিপশু সেতু নিচে পানি সাঁতরে পার হতে হয়। প্রায় এক মাস ধরে ঝুঁকি নিয়ে এই পথে কৃষকরা চলাচল করছে।
স্থানীয়দের দাবি কৃষি মৌসুম চলছে এসময় বাড়তি ভোগান্তি কাম্য নয়। দ্রুত মাটি ভরাটসহ টেকসই সমাধানের দাবি করেন।
এই বিষয়ে স্থানীয় কৃষক হারিছ আলী (৪৫) বলেন, প্রতিদিন কয়েক শত কৃষক এই পথে হাওরে জমি আবাদের জন্য কষ্ট করে যাতায়ত করে। গত বছর নিজেরা চাঁদা তুলে ও স্বেচ্ছাশ্রমে রাস্তা মেরামত করেছি। এই ব্রীজ পাড় হতে মানুষের অনেক কষ্ট হয়! দ্রুত মাটি ভরাট করার জোর দাবি করছি।
স্থানীয় বাসিন্দা বকুল মিয়া (৩৬) বলেন, ‘ব্রিজের সংযোগস্থলে বড় ফাঁকা জায়গা তৈরি হয়েছে। গত ২০ থেকে ২৫ দিন ধরে মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছি। সড়কটি দ্রুত মেরামত করা দরকার।’
এ বিষয়ে মিঠামইন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, সংযোগ সড়ক সংস্কারে উপজেলা প্রকৌশলীকে সরেজমিনে পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলেছি।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রাপ্ত নিউজ পোর্টাল
