ঢাকা, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
banglahour গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রাপ্ত নিউজ পোর্টাল

English

পবিত্র কোরআন-হাদিসের আলোকে বজ্রপাত থেকে বাঁচার উপায়

ধর্ম | অনলাইন ডেস্ক

(২ বছর আগে) ৩১ মে ২০২৪, শুক্রবার, ১১:৪৮ পূর্বাহ্ন

banglahour

পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, বজ্রপাত আল্লাহ তাআলার শক্তির নিদর্শনগুলোর একটি, যা তিনি তাঁর প্রিয় বান্দাদের সাবধান করার জন্য রেখেছেন। তিনি চাইলেই যে কাউকে এর মাধ্যমে যেকোনো সময় শাস্তি দিতে পারেন। যদিও সব ক্ষেত্রে পরম করুণাময় আল্লাহ তাআলা এমনটি করেন না। তাই কেউ বজ্রপাতের কবলে পড়ে মারা গেলেই তাকে আল্লাহর অপ্রিয় বান্দা ভাবা যাবে না।

পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘বজ্র তাঁরই তাসবিহ ও হামদ জ্ঞাপন করে এবং তাঁর ভয়ে ফেরেশতাগণও (তাসবিহরত রয়েছে)। তিনিই গর্জমান বিজলি পাঠান, তারপর যার ওপর ইচ্ছা একে বিপদরূপে পতিত করেন। আর তাদের (অর্থাৎ কাফিরদের) অবস্থা এই যে তারা আল্লাহ সম্পর্কেই তর্কবিতর্ক করছে, অথচ তাঁর শক্তি অতি প্রচণ্ড। ’ (সুরা : রা’দ, আয়াত : ১৩)

 

মানুষের কাজকর্মই বজ্রপাতের মূল কারণ।

খোদাদ্রোহিতা দুনিয়ায় যত বাড়বে, ততই দুনিয়ার বুকে বিভিন্ন ধরনের দুর্যোগ বাড়বে। উপরোক্ত আয়াতটির শেষাংশে [আর তাদের (অর্থাৎ কাফিরদের) অবস্থা এই যে তারা আল্লাহর সম্পর্কেই তর্কবিতর্ক করছে, অথচ তার শক্তি অতি প্রচণ্ড।] এ ধরনের অতি আপডেট ব্যক্তিদের দিকেই ইঙ্গিত করা হয়েছে।

 

বজ্রপাত থেকে বাঁচার উপায়

মহান আল্লাহ বজ্রপাত যেমন সৃষ্টি করেছেন, তাঁর প্রিয় নবী (সা.)-এর মাধ্যমে দুনিয়াবাসীকে তা থেকে বাঁচার পথও বাতলে দিয়েছেন। হাদিস শরিফে ইরশাদ হয়েছে, আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) ইরশাদ করেন, তোমাদের প্রবল পরাক্রমশালী প্রভু বলেছেন, যদি আমার বান্দারা আমার বিধান মেনে চলত, তবে আমি তাদের রাতের বেলায় বৃষ্টি দিতাম, সকালবেলায় সূর্য দিতাম এবং কখনো তাদের বজ্রপাতের আওয়াজ শোনাতাম না।

(মুসনাদে আহমদ : ৮৭০৮)

 

বজ্রপাতের শব্দ শুনলে দোয়া

বজ্রপাত খোদায়ি দুর্যোগ, এর থেকে বেঁচে থাকার কিছু বাহ্যিক করণীয়ও রয়েছে, যেগুলো সম্পর্কে জনগণকে সতর্ক করার জন্য সরকার প্রতিবছর বিভিন্ন মিডিয়ার মাধ্যমে ব্যাপকভাবে প্রচার করে। সেগুলো পালনের পাশাপাশি প্রিয় নবী (সা.) তাঁর উম্মতদের বজ্রপাত থেকে রক্ষার যে দোয়াগুলো শিখিয়েছেন, সেগুলোর ওপর গুরুত্বসহ আমল করতে হবে। হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) তাঁর বাবা থেকে বর্ণনা করেন, রাসুল (সা.) যখন বজ্রের শব্দ শুনতেন তখন বলতেন, ‘আল্লাহুম্মা লা তাকতুলনা বিগজাবিকা ওয়ালা তুহলিকনা বিআজাবিকা ওয়া আ-ফিনা কবলা জালিকা।’ (তিরমিজি : ৩৪৫০)

অন্য রেওয়ায়েতে আছে, হজরত ইবনে আবি জাকারিয়া থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, বর্ণিত আছে, যে ব্যক্তি বজ্রের আওয়াজ শুনে এ দোয়া পড়বে, ‘সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি’, সে বজ্রে আঘাতপ্রাপ্ত হবে না। (মুসান্নাফে ইবনে আবি শায়বা : ২৯২১৩)

মহান আল্লাহ সবাইকে সব ধরনের দুর্যোগ থেকে রক্ষা করুন। আমিন।

ধর্ম থেকে আরও পড়ুন

সর্বশেষ

banglahour
banglahour
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রাপ্ত নিউজ পোর্টাল
উপদেষ্টা সম্পাদকঃ হোসনে আরা বেগম
নির্বাহী সম্পাদকঃ মাইনুল ইসলাম
ফোন: +৮৮ ০১৭৭৮০০৪৭০০
ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম
ফোন: +৮৮ ০১৭ ১২৭৯ ৮৪৪৯
বিশেষ প্রতিনিধিঃ তাহিরুল ইসলাম