ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানে পবিত্র ঈদুল ফিতরের জামাতকে কেন্দ্র করে ব্যাপক নিরাপত্তা প্রস্তুতি নিয়েছে প্রশাসন। এবার মুসল্লিদের নিরাপত্তায় কাজ করবে ১১০০ পুলিশ সদস্য। পাশাপাশি মোতায়েন থাকবে র্যাবের ৬টি টিম, ৫ প্লাটুন বিজিবি, ৪ প্লাটুন সেনাবাহিনী ও ৫ প্লাটুন আনসার।
শুক্রবার (২০ মার্চ) ঈদগাহ পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ আসলাম মোল্লা ও পুলিশ সুপার ড. এস এম ফরহাদ হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তারা জানান, জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও র্যাবের কর্মকর্তারা দফায় দফায় শোলাকিয়া ময়দান পরিদর্শন করেছেন। ইতোমধ্যে পুরো এলাকা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। ঈদের দিন বিভিন্ন বাহিনীর সমন্বয়ে বহুমাত্রিক নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হবে।
নিরাপত্তা জোরদারে মাঠে ৪টি ওয়াচটাওয়ার (২টি পুলিশ ও ২টি র্যাব), ৬৪টি সিসি ক্যামেরা এবং ১৩টি আর্চওয়ে স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া ড্রোন ক্যামেরা, বোম্ব ডিসপোজাল টিম, ফায়ার সার্ভিস, ৬টি অ্যাম্বুলেন্সসহ মেডিকেল টিম এবং ১০ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন।
মুসল্লিদের সুবিধার্থে দুটি বিশেষ ট্রেন চালু করা হয়েছে। নিরাপত্তার স্বার্থে মুসল্লিদের শুধু জায়নামাজ নিয়ে মাঠে আসার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
ঈদগাহে প্রবেশের জন্য ২৮টি গেটে হ্যান্ড মেটাল ডিটেক্টরের মাধ্যমে তল্লাশির ব্যবস্থা থাকবে। ঈদের আগের দিন থেকে শহরে সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ রাখা হবে। পাশাপাশি গোয়েন্দা সংস্থা ও র্যাবের পক্ষ থেকে বিশেষ নজরদারি থাকবে।
এবার শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানে অনুষ্ঠিত হবে ১৯৯তম বৃহত্তম ঈদের জামাত, যা সকাল ১০টায় শুরু হবে। ইমামতি করবেন মুফতি আবুল খায়ের মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ।
উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে এ
ই ঈদগাহে জঙ্গি হামলার ঘটনায় দুই পুলিশ কনস্টেবল, এক নারী ও এক হামলাকারী নিহত হন। এরপর থেকে নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
ঐতিহ্যবাহী এই ঈদগাহ ময়দানটি ১৮২৮ সালে নরসুন্দা নদীর তীরে প্রতিষ্ঠিত হয়। জনশ্রুতি অনুযায়ী, একসময় এখানে সোয়া লাখ (১ লাখ ২৫ হাজার) মুসল্লির সমাগম হওয়ায় এর নাম হয় ‘শোলাকিয়া’। বর্তমানে দেশ-বিদেশ থেকে তিন লাখেরও বেশি মুসল্লি এ জামাতে অংশ নিতে

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রাপ্ত নিউজ পোর্টাল
